কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে

কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে দুই ছেলে এক মেয়ের ভালবাসার গল্প।হিন্দু মুসলিস ছেলেটার নাম হাসান সে মুসলিম পরিবারের সন্তান। সে হাই স্কুল থেকে sscপাশ করে ডিপ্লোমা পড়তে শহরে। হাসান দের ক্লাস মোট ছাএ ছাএী ২৭ তার ভেতরে ৩ টা মেয়ে ছিলো। কলেকে প্রথম থেকে একটা মেয়ে আসতো।

কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে

কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে
কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে

আর বাকি দুইটা মেয়ে আসতো না। এ ভাবে হাসান দের কুরবানি ঈদ চলে আসে। হাসান তাদের ক্লাসের সবাই ঈদের দাওয়াত দিয়ে বাসায় চলে যায়। হাসান কলেজের কোন মেয়েদের সাথে কথা বলতো না। কারণ তার high school life জীনের সব থেকে কস্টের একটা ঘটনা ঘটেছিলো।

এই কারণে সে আর কোন মেয়েন সাথে কথা বলতো না। ঈদ শেষ করে আবার যখন কলেজে আসে কিছু দিন ক্লাস করার পর আর একটা নতুন মেয়ে তাদের সাথে ক্লাস করবে বলে তাদের ক্লাসে আসে। হাসান তার দিকে কখনো তাকায় না। এবং তার সাথে কথা ও বলে না।

সেই মেয়েটার নাম ছিলো রজনী মেয়েটা ছিলো মুসলিম। হাসান নিজের মত করে কলেজে ক্লাস করে রিতি মত বাসায় চলে যায়।এভাবে কিছু দিন চলে যায়। তার পর হাসান দের ক্লাসের একটা ছেলে রজনীর পছন্দ করে সেই ছেলেটা বলে সে না রজনীর সাথে প্রেম করবে।

সে দিনের ক্লাস শেষ করে হাসান বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা দেওয়ার সয়ম মেয়েটা হাসান কে বললো তুমি এতো অহংকারী কেন। হাসান মেয়েটার কথায় কান না দিয়ে নিজের মত হাটতে শুরু করে।

মেয়েটা হাসের কাছে এসে কথা বললো এবার হাসান হাটতে ছাতা মাথায় দিয়ে হাটতে শুরু করে দিলো। পরের দিন ক্লাসে কিছু ছেলে এবং মেয়েটা হাসান কে নিয়ে মজা করা শুরু করে দিলো। এভাবে কিছু দিন যাওয়ার পর হাসান মেয়ে টার সাথে কথা বললো।কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে

কিছু দিন পরে হাসান মেয়েটাকে তার মনের কথা বলে দিলো । যে আমি তোমাকে ভালবাসি। মেয়েটা অনেক খুসি হয়ে নিজের মেসে চলে। যাওযার সময় তার নিজের ফোন নাম্বার টা হাসানকে দিয়ে যায় যে রাতে ফোন দিতে বলে।

হাসান ঠিক সময় মত রাতে মেয়েটার ফনে ফোন দেয়। এবার রাতে দুই পাঁচ মিনিট কথা বলার পর ফোন রেখে দেয়। এভাবে কিছু দিন চলে।

এবার মেয়েটার নামে প্রতিদিন নতুন নতুন রিপোর্ট আসে। রজনী না কি হাসান দের কলেজের হিন্দু এক বড় ভাই এর সাথে প্রেম করে। হাসান কথা বিশ্বাস করে না সে মেয়েটাকে অন্ধের মত ভালবাসে। এভাবে আরো অনেক দিন পার হয়ে যায়।

হাসান আর রজনীর প্রেমের বয়স অনেক দিন হলো। এর ভেতরে তারা দুই জনে অনেক জায়গায় ঘুরতে যায়। এবং ছিনেমা দেখে।

এর মধ্যে রজনী এক দিন হঠাৎ করে নিজের থেকে কিছু বলবে বলে আমাকে ফোন দেই। বলো হাসান তোমার হাথে আমার কিছু কথা আছে। হাসান বলে বলো
রজনী বলে তুমি সহ্য করতে পারবা তো??কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে

হাসান বলে তুমি বলো সমস্যা নাই রজনী বলে তার আগে এক জায়গায় বিয়ে হয়েছিলো। সে বিবাহিত ।

হাসান বিষয়টা শুনে অনেক চিন্তার মধ্যে পড়ে গেল। হাসানের অনেক চিন্তা আর ঘুম হারাম হয়েগেল।।

হাসান তার পর ও তাকে খুব ভালবাসে তার সাথে কথা না বলে থাকতে পকরে না।

হাসান তার বন্ধুদের সাথে বিকালে শহরের ভেতরে বেড়াতে যেতো। এর ভেতরে হাসানের কাছে নিউজ আসে যে রজনী সেই হিন্দু ছেলটার সাথে মটরসাইকেলে বিভিন্নদিক ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু হাসান কথা গুলো বিশ্বাস করে না।

হাসান তার ক্লাসের ফাস্ট ছেলে এবং ক্লাস কেপটেন্ট ছিলো।

হাসান অন্য দিনের মত তার এক বন্ধুর সাথে বেড়াতে যায়। হাসান তার বন্ধুর সাথে বসে থাকা অবস্থায়।রজনী ফোন তুমি কোথায়?? হাসান মিথ্য বলে যে সে বাসায় আছে। হাসানের মনে একটু সন্দেহ হল।কষ্টের ভালোবাসার গল্প সত্ত কাহিনী -ছলনাময়ী মেয়ে

হাসন ১০ মিনিট পরে তার বন্ধুকে নিয় হাটা হাটি করতেছে। হঠাৎ করে হাসান দেখতে পাই রজনী সেই হিন্দু ছেলোটার হাতের ভেতরে হাত দিয়ে হাটতেছে। রজনী হাসান কে দেখে তাড়াহুড়ো করে হিন্দু ছেলেটার হাত ছেড়ে হাসানের হাত ধরে।

রজনী আরেক Boy Friend তার কলেজের বড় ভাই । কে বলে হাসান তার খুব ভাল বন্ধু। হাসান নাছোড় বান্দা সে এবার সরাসরি সেই ছেলেটাকে বলে ভাই আপনি কি রজনী কে ভালবাসেন???

হিন্দু ছেলেটা বলে হা। শুধু আমি না রজনী ও তো আমাকে ভালবাসে। হাসান বলে রজনী তো আমাকে ও ভালবাসে হাসান কখনো কারো সাথে কখনো মিথ্য কথা বলতো না। হাসান সেখানে রজনীকে বলে আসে তুমি কাজটা এক দম ঠিক করো নি।

আমি তোমাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করতাম। আমার জীবনের চেয়ে তোমাকে ভালবাসতাম আর তুমি এমন প্রতিদান দিলে।??

পরেন দিন কলেজের বড় ভাই হাসানকে ডাকে হাসান কে বিভিন্ন ভাবে বকাবকি করে হাসানকে মারর হুমকি দেই এবং সে বড় ভাই হাসানকে মারতে যায় কিন্তু অন্য বড়ভাই তারা মিমাংসা করে দেই।

তার পর ২ য় পর্বে পড়ুন

স্বাস্থ্য ও অভ্যাস

ROMANTIC LOVE STORY


ভাল লাগলে ববন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন। আর হা গল্পটা কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন ধন্যবাদ

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *