অনেক কষ্টের ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু

অনেক কষ্টের ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু love story

অনেক কষ্টের একটি ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু আমার জীবনের আরেকটি ঘটে যাওয়া ভালোবাসার কাহিনী যে ভাবে আসলো আমার জীবনে নিয়ে,,,,,,,,আমি যখন class new 10 এ উঠি আমাদের সকুলের নতুন বছরের শুরুতেই class six থেকে 10 পযনত এই কয় শ্রেনি নিয়ে আনত সকুল ক্রিকেট অনুষঠিত হয় প্রতি বারের ন্যায় এবারো অনুষঠিত হলো প্রথম ম্যাচ অনুষঠিত হয় ১০ম শ্রেনি বনাব ৯ম শ্রেনি সেখানে আমরা ১০ম শ্রেনি নবম শ্রেনিকে হারিয়ে ম্যাচ টা জয় লাভ করি পরের দিন খেলা হবে ৮ম শ্রেনি বনাব ৭ম শ্রেনি ওই দিন সকুলে ১ পিরিয়ড করে আমরা ১০ শ্রেনির বনধরা মিলে খেলাটা পরিচলার জন্য একটু কাজ করছিলাম আবার ।

অনেক কষ্টের ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু love story

অনেক কষ্টের একটি ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু

আমাদের সকুলের স্যারা অনেক ক্রিড়াপ্রেমি মানুষ খেলা চলা কালিন সকল ছাএ-ছাএী কেউ বাড়ি যেতে পারবে না খেলা শেষ না হওয়া পযনত,,,,,আমাদের class রুম নিচ তলায় খেলার ঠিক কয়েক মিনিট আগ মুহূতে দুইতলায় দাড়িয়ে আছে একটা মেয়েকে দেখতে পেলাম দেখি মেয়েটা আমার দিকি তাকায় আছে আমি তাকাতেয় মেয়ে টার চোখো চোখ পড়লো,, আমার হাতে একটা ক্রিকেট বল ছিলো আমি বলটা একবার উপরে চালছি আর ক্যাচ ধরছি আর মাঝে মাঝে মেয়েটাকে খেয়াল করছি,,,অনেক কষ্টের একটি ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু

দেখলাম মেয়েটা আমার দিখে তাও তাকিয়ে আছে তখন আমি আর ওই বিয়সটা নিয়ে তেমন ভাবলাম না পরের দিন আবার class 7 আর class 9 খেলা হলো খেলা চলা কালিন আমি আর আমার বনধুরা কয়েক জন বসে আছি দুইতালায় তাকিয়ে দেখি আজও সেই মেয়েটা দুইতলায় class 8 এর রুমের সামনে দাড়িয়ে আছে আমাদের আজ খেলা নেই বলে বসে বসে খেলা দেখছি হটাত উপরের দিখে তাকাতেই দেখে মেয়েটা বার বার

আমাকে ফলো করছে আমার এক বেসট ফ্রেন্ড ছিলো দুজন মিলে গলপ করছি আর আমার ওই বনধুটাকে বলছি বনধু দেখ তো দুই তালায় দাড়িয়ে একটা মেয়ে আছে ওকে চিনিস কিনা আমার বনধু বললো হ্যা বনধু চিনি তো মেয়েটাকে আমাদের বাড়ির থেকে ১০ মিনিটের মতো পথ মেয়েটা নতুন এসেছে নানি বাড়ি থেকে class ৮এ এসে ভতি হয়েছে বনধু বলছে কেন কি হয়েছে।

আমি বললাম কিছু না রে বনধু এমনি জিগগাস করলাম এর আগে কখনো দেখি নে তো সকুলে তাই বনধু বললো ও,,, তারপরেও মেয়েটার দিখে আমি একটু মাঝে মাঝে তাকাচিছ দেখি মেয়েটাও তাকাচেছ আমি তেখন আর ওই বিয়সটা নিয়ে তেমন ভাবাভাবি করি নি এভাবে চোখে চোখে মেয়েটার দিখে কয়েকদিন তাকানো পড়লো কিনতু দুজনের কেউ কাউকে সরাসরি এসে কিছু বলছি না এভাবে কয়েক দিন কেটে গেলো একদিন হটাত আমার বনধু আমাকে এসে বলছে বনধু তোকে একটা মেয়ে ভালোবাসে আমি বলছি হট মজা করিস না আমার বনধ বলছে সত্যি বলছি,,,,,,আমি বললাম কে সেই মেয়েটা ।

মেয়েটার নাম কি বনধু বললো নাম সাথী নানি বাড়ি থাকে বললো মেয়েটা তোকে ভালোবাসে তাই তোর কাছে জিগগাস করতে বললো তুই কি বলিস তাই আমি বললাম না বনধু সামনে আমার পরীখা এস, এস,সি এখন আর ওসব লাইনে যাবো না এস,এস,সি টা ভালো করে শেষ করে নিয় কিনতু আমার বনধু বলি নি যে তুই যে মেয়েটার কথা বলছিলি সেইদিন দুই তালায় দাড়ায় ছিলো সেই মেয়েটার নাম সাথী আমি অতো কিছু জিগগাস না করেই বারন করে দিয়েছি যে বলিস এখন আর ঔ লাইনে যাবে না তেমনি আমার কথা মতো বনধু ওই মেয়েটাকে বারন দিলো ।

কিনতু আমি তো আর জানতে পারি নি যে ওই মেয়েটার নামই সাথী ছিলো যে মেয়েটা আমাকে ফলো করতো,, প্রতিদিনের ন্যায় আজও আমি আবার টিফিন পিরিওয়ডে বসে আছি সকুল মাঠে বেনস এ মেয়েটা দেখি প্রতিদিনের মতো ওখানে আবার দাড়িয়ে আছে তাকাচেছ আমিও তাকাচিছ এভাবেই কেটে গেলো কয়েক মাস মেয়েটাকেও আমার ভালোলাগে কিনতু কি ভাবে বলবো সেটা বুঝতে পারছি না একদিন সকুলে কিসের একটা অনুষ্ঠান হচেছ একটু তাড়াতাড়ি ছুটি হয়েছে তাই ভাবলাম আজ বলেই দেখি ।

মেয়েটাকে মেয়েটার পিছু নিলাম আমি আর আমার এক বনধু যে আজ বলবোই কিনতু নিজেকে অনেক নারভাস লাগছিলো তাই না বলেই ফিরে আসছি আবার এভাবে দুজন চোখে চোখে তাকানো আমি তো আর জানছি না যে এই সেই মেয়েটা আমাকে বলেছিলো আমার বনধুর সাথে যে আমাকে ভালোবাসে কিনতু আমি নাম না জানাতেই বারন করে দিয়েছি কিনতু সেটা তো আর ওই মেয়ে জানতে পারছে না যে ছেলেটা আমাকে বারন করে দিয়েছে তারপরেও আবার আমার দিকে তাকাচেছ কেনো এবার হটাত একদিন আমি আবার ওই মেয়েটির পিছু নিলাম যে আজ বলবোই যে আমি তোমাকে ভালোবাসি যে কথা সেই কাজ মেয়েটির সামনে গিয়ে বললাম।

যে আমি তোমাকে ভালোবাসি,,,,, মেয়েটি সেই সময় কিছু বললো না পরের দিন আমার সেই বেসট ফ্রেনট এর সাথে বলেছি যে আপনার বনধু আমাকে আজ এসে বলছে যে আমাকে পছনদ করে আপনার বনধুকে বলে দিবেন যে আমি এখন রিলেশন করবো না ও দিখে যেতে চাই না আমি: আমার বনধু কে না জানিয়েই মেয়েটাকে বলেছি আমার বনধু আমাকে এসে বলছে তুই কাল কোন মেয়েকে প্রোপোজ করেছিস আমি বলছি করেছি একটা মেয়েকে কেন,,,,,

আমি বললাম তুই কি করে যানলি বনধু,,, বনধু বললো ওই মেয়েটা আমাকে বলেছে,,,, এবার আমি বললাম হ্যা বনধু আমি ওই মেয়েটাকে ভালোবাসি তারপর আমার বনধু বললো বনধু এটাই তো সেই মেয়ে যে আগে তোকে বলেছিলো।অনেক কষ্টের একটি ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু

কিনতু তুই তো বারন করে দিয়েছিলি আমি ;বললাম এই মেয়েটার নাম তাহলে সাথী ছিলো তা তুই আমাকে বলবি না ভালো করে বুঝিয়ে তারপর কয়েক মাস পর আমার এস,এস,সি পরীখা চলে আসলো আমি সকুল থেকে চলে আসলাম আর দেখা হলো না প্রায় ছয় মাস পযনত আমি কলেজে ভতি হলাম প্রতিদিন কলেজ যাওয়ার পথে মেয়েটার সাথে আমার দেখা হতো মাঝে মাঝে কিনতু আমি আর আগের মতো করে তাকাতাম না সাধারন ভাবেই যেতাম আর আসতাম কিছু বলি নি মেয়েটাকে কারন দুজনের ভুল বোঝা -বুঝিতেই আজ আমাদের রিলেশন টা হলো না,,,,,

আমি কখনোই ভাবি নি আর ওই মেয়েটার কথা আমার কলেজের inter first year এর Annual exam হয়ে গেলো 2nd year a উঠার জন্য এবার ঈদের বনধ পড়ে গেলো আমাদের কলেজের রেজালট দিলো পাস করে 2nd year এ উঠলাম ৬ মাস পার হয়ে গেলো মেয়েটার সাথে দেখা হতো মাঝে মাঝে কিনতু কোনোদিন কিছু বলি নি এমনি অন্য মানুষের মুখ থেকে শুনতে পেতাম মেয়েটার নাকি বিয়ে হয়ে গেছে তাও সকুলে আসে

এস,এস,সি পরীখা দেওয়ার জন্য কিনতু আমি কখনো বিশশাস করি নি যে মেয়েটার বিয়ে হয়েছে তা,,,, আমার মন সবসময় বলতো মেয়েটার বিয়ে হয় একদিন একজনের কাছ থেকে যানতে পেলাম যে মেয়েটার বিয়ে হয়নি বনধুরা মেয়েটা অনেক সুনদর দেখতে ছিলো এককথায় বলতে গেলে পুতুলের মতো দেখতে সুনদর ছিলো বনধুরা তাই প্রায় বেশির ভাগ ছেলেরা মেয়েটা ডিসটাপ

মেয়েটাকে ডিসটাপ করতো তাই মেয়েটি এবং মেয়ের নানি রা মিলে সিধানতো নেয় যে মেয়েটি সবার সাথে বলবে যে আমার বিয়ে হয়ে গেছে আগেই বলেছি বনধুরা মেয়েটি তার নানি বাড়ি থেকে পড়া লেখা করে আসেত আসেত প্রায় তার গ্রামের সকলেই তার সমপকে যানে মেয়েটির বিয়ে হয়ে গেছে এবং সকুলে সবাই যানে যে বিয়ে হয়ে গেছে মেয়েটির এমনি কী সকুলের স্যাররা পযনত যানে যে বিয়ে হয়ে গেছে তা আসলে বনধুরা কথা সত্যি না ছেলেদের ঝামেলা থেকে মুকতো থাকার জন্য মেয়েটি এই পথ টি অবলমবন করেন,,,

অনেক কষ্টের ভালবাসার গল্প-ভালবাসার অপমৃত্যু love story

এমনি কী শেষ পযনত আমিও বিশসাস করা শুরু করলাম তাও যেনো মনের মধ্য কেমন একটা হচেছ সনধেও হচেছ আমি কলেজ যাওয়ার পথে মেয়েটির সাথে পরপর ৫ দিন দেখা হলো তখন প্রায় আমার 2nd year এর আটমাস হয়ে গেছে আর মেয়েটি এবার class 10 test পরীখা দেবে তার ৩ মাস পর এস,এস, সি পরীখা দেবে

মেয়েটার সাথে এবার প্রতিদিন সকালে আমার কলেজ যাওয়ার সময় ও দেখা হতে লাগলো আমার আমার কলেজ ছুটির পরও দেখাহতে লাগলো মেয়েটার সাথে,,,,, আবার কেনো যানি আমার মনটা দূবাল হতে লাগলো ওই মেয়েটির প্রতি এবং আবার ভালোলাগতে শুরু করলো কিনতু একটা সমস্যা সবাই বলে মেয়েটার নাকি বিয়ে হয়ে গেছে একদিন বাড়ির থেকে পিলান করে যাচিছ কলেজে যে মেয়েটিকে আজ জিগগাস করবো তার কাছে যে আসলে সত্য কি মিথ্যা মেয়েটির আসলে কি বিয়ে হয়েছে কী না,,

বাসার থেকে বের হলাম আমি কলেজ যাওয়ার উদদেশ্য ঠিক প্রতিদিনের ন্যায় আজও আবার দেখা হলো কিনতু আজ বাজারের মধ্য দেখা হলো তাই কিছু বলতে পারলাম না আমার বাড়ির থেকে পিলান টার আসা টা মিটলো না কলেজ গিয়ে পৌছালাম আমি প্রতিদিনের ন্যায় আজও কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছি ১টার পর ওদের সাথে দেখা হলো সামনে তাকিয়ে দেখি ওরা আসবে হটাত বুকের মধ্য লাফিয়ে উঠলো,,,, দেখি ওই মেয়েটি আর ওর দুইটা বানধবি আসছে আর এদিখে আমি আর আমার একটা বনধু আসছি আমার বনধকে একটু সামনে পাঠিয়ে দিয়ে ওদের মধ্য একজনকে আমি চিনি তাকে দাড় করিয়ে জিগগাস কিছু কথা তারপর বললাম

যে একটা কথা জিগগাস করবো ওর বানধবি বললো করেন,,,, আমি বললাম সাথী র কী বিয়ে হয়ে গেছে তা বললো না কেনেন আমি বললাম না এমনি জিগগাস করলাম তারপর ওদের কে ছেড়ে দিয়ে আমি বাসায় চলে আসলাম ওই দিন বাড়িতে এসে অনেক কিছু চিনতা করলাম, এবার যে ভাবেই হোক মেয়েটাকে বোঝাতেই হবে আমি এখনো মেয়েটাকে ভালোবাসি তা আগেই বলেছি বনধুরা মেয়েটি এবার এক্স ১০ এ পড়ে আর আমার এক ভাগনে আসে এবার নিউ টেন এ পড়ে সকালে ওই মেয়েটি যেখানে কচিং করে আমার ভাগনে টাও সেখানে কচিং করে,,,,

আমি আমার ভাগনে কে বলে পাঠালাম যে ওই মেয়েটার কাছ থেকে আমার নাম বলে ওই মেয়েটার কাছ থেকে ফোন নামবর নিয়ে আসতে যে কথা সেই কাজ ভাগনে আমার নাম বলে ওই মেয়েটির সাথে গিয়ে বলে সাগর আপনার ফোন নামবর টা দিতে বলেছে কিছু কথা বলবে তাই মেয়েটি নামবর দিলো আর বললো ৪:৩০ এ একটা ম্যাসেজ দিতে আমার ভাগনে বাড়ি এসে নামবর টা দিয়ে আমাকে বললো ৪:৩0 এ ম্যাসেজ দিতে বলেছে,,,

আমি ঠিক ম্যাসেজ দিলাম সঠিক টাইমে ৩ মিনিট পর ম্যাসেজ রিপলাই আসলো তারপর কিছু বলার পর মেয়েটি আগের ভুলটা বুঝতে পারলো এবং তাকে বুঝাতে পাররাম ১৭ মিনিট ওই ভাবে কথা বলতে বলতে মেয়েটিকে প্রেপোজ করলাম মেয়েটি accept করলো এভাবে কথা বলতে লাগলাম প্রায় ৩ মাস সবঠিকঠাক ছিলো একদিন ম্যাসেজ করলাম মেয়েটির ফোন তার মামার কাছে ছিলো তা আমি যানতাম না এবার ওর বাড়িতে ঝামেলা হলো তারপর কিছুদিন পর একদিন ফোন দিয়ে বললো ।

মামা আমার ফোন নিয়ে নিছে আর দেবে না আমাকে মেরেছে আববু আর মামা মিলে আববু সবাই মিলে বকা দিয়েছি, আর তার একটা কথাই শেষ ছিলো নিজেকে খেয়াল রেখো ওই তার সাথে শেষ কথা হয়েছিলো আর এখনো পযনত কখনো কোনোদিন কথা হয় নি বনধরা আসলেই আমার কপালে মনেহয় ভালোবাসা টা নেই কপালটাই খারাপ এখানে ই আমাদের রিলেশন টা শেষ মনেহয় আজ ও পযনত তার খোজ নেই বাস্তব গলপ টা কেমন হলো বনধুরা যানাবেন

বাস্তব কষ্টের ভালবাসার গল্প –

র্ভাসিটি লাইফের রোমান্টিক ভালবাসার গল্প

Facebook প্রেম

English Love story

Related posts

Leave a Comment