অসমাপ্ত ভালোবাসার সম্পর্ক-মা বাবার ডিভোর্স-পার্ট -১

অসমাপ্ত ভালোবাসার সম্পর্ক-মা বাবার ডিভোর্স-পার্ট -১ আমার আব্বা -মার ডিভোর্স হয়ে গেচে। আমি মার সাথে ঢাকায় থাকি , আর আমার আব্বা থাকে ইতালি । আমার আব্বা থাকে ইতালি যাওয়ার পরে অন্য একজন মেয়ে কে বিয়ে করে । বিয়ে করার কারণ হিসেবে দেখাইছে তার একাকিত্ব কে।

অসমাপ্ত ভালোবাসার সম্পর্ক-মা বাবার ডিভোর্স-পার্ট -১

অসমাপ্ত ভালোবাসার সম্পর্ক-মা বাবার ডিভোর্স-পার্ট -১

আব্বা ইতালি যাওয়ার আগে মা কে বলে যায়, যত দ্রুত সম্ভব কাগজ পত্র ঠিক করে আমাদেরকে ইতালি নিয়ে যাবেন। আব্বা দেশে আসে কিন্তু আমাদেরকে নিতে আসি নাই, আব্বাএসেছিলো মা কে ডিভোর্স দিতে। আব্বা একটা কম্পানিতে তে চাকুরী করতেন এবং মুটামুটি বেতনে ও পেতো । আব্বা খুবই আত্ম-সন্মান বোধের এক জন মানুষ ছিলেন ।

মা – আব্বা ডিভোর্সের বিষয় টা বেশির ভাগ মানুেষ জানতে পেরেগেছিলো আমার নানি বাড়ির মানুষদের কাছ থেকে। মা এই বিষয় টা নিয়ে কারো সাথে কথা বলে চায় না । নানি আর মামা খুবই রাগারাগি করেছিলো আমাদের বাসায় এসে, আর মা কে বলছিলো তারিফের এই সিদ্ধান্ত আমাদের কেন জানাস নি ? আমাদের জানালে তারিফ কোন ভাবেয় পার তো না আাপু কে ডিভোর্স দিতে।

কত বড় সাহস ! মেয়ে আছে সংসার আছে, আর সে কিনা কোন এক খারাপ মেয়ের ফাঁদে পড়ে, তোকে ছেড়ে দিবে ! ওকে বুঝাতে হতো, আর যদি ভালো কথায় না বুঝে, এমন ব্যবস্থা করতাম দেশ থেকে বের হতে পারবে না। আর তোর শাশুড়ী কি বলে,তার এই গুণের ছেলের বিষয়ে ? এই সব কথার মাঝ খানে মা মামাকে থামিয়ে দিলো, নানি কে এক কথায় বলে দেয়,

মা তোদেরকে তারিফের কথা বলে কোন লাভ হয়তো না, তোমরা কেউ কিছু করতে পারতে না, কারন তারিফ অন্য একজন মেয়ের সাথে, ওকে জড়িয়ে নিয়েছে । আর সেখানে আমি কেন তার সাথে জোর করে থাকবো ?আমি কি তার করুনার পাত্র হয়ে, তার সাথে থাকবো ?আর একটা সে মানুষ টা আমার সাথে থাকতে চায় না, তখন আমি তার সাথে থাকতে চাওয়ার মতো অপমান লজ্জার আর কি হতে পারে ? আর আমি অপদার্থ,কেউ না, আমি আমার জীবন একা চালাইতে পারবো ইনশাল্লাহ ।

তখন নানি মা কে আরো বেশি করে বকাঝকা দিয়ে চলে যায়। আর যাওয়ার সময় বলে যায়, তুমি এত বেশি বুঝো বলে তোমার জীবননে এমন কিছু হলো,কারো কথার কোন মূল্য নাই তুমার কাছে। আমার নানির বসায় সবাই মা কে একটু সচেতন ও বুঝিয়ে চলে যায় ।কারণ মা খুবই রাগি আর সে তার নিজের মতো করে চলে।

আর আমার দাদি খুবই দুঃখ পায়েছে আব্বু’র এই ধরনের আচরণে। দাদি আমাদের সাথে থাক তো। মা – আব্বা ডিভোর্সের হওয়র পর দাদি মাদের গ্রামের বাড়িতে চলে যায়।গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আগে আমার মা কে কিছু কথা বলে যায়, কথা গুলো হচ্ছে, মা লিলি,মানুষে এর সাথে মানুষে এর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বা হয়।

আমরা আমাদের পাশের বাসার মানুষ কে খালা বলি, মামা বলি কেন ? কারণ আমরা তাদের সাথে একটা সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করি, সবাই রক্তে এর সম্পর্কের অত্নীয় হয় না। আমরা তার পরেও তাদের জন্য মায়া অনুভব করি।আমরা তাদের ভালো মন্দে হলে কষ্ট পাই। দাদি আমার মা কে বলেছে তোমার সাথে আমার ছেলে তোমার যে অন্যায় করেছে তার কোন প্রতিকার আমার হাতে ও নাই।

ছেলে মেয়ে বড় হলে তাদের নিজের একটি নতুন জগৎ হয় । তখন তারা তাদের মতো করে চলে সেখানে মা – বাবার কিছু করার থাকে না। শোন সোনা মা, তারিফের বৌ হিসাবে আমি তোমার মা হয়ে ছিলাম। আজ যদি তারিফ আর তোমার মধ্যে ডিভোর্স না হয়ে তারিফ মরে যেতো,তবে কি হতো? আমি তো তোমার শাশুড়ী মা’য় থাকতাম তাই তো। আর আজ তারিফ বেঁচে থাকার পরেও আমি তোমার কেউ না।

শোন মা কোন সম্পর্ক শুধু খাতা কলম দিয়ে হয় না। হয় পবিত্র মন দিয়ে। তোমার আর আমার সম্পর্ক হলো মা আর মেয়ের। তুমি যদি চাও আমাদের সম্পর্ক সারাজীবন ধরে থাকবে। তুমি, আমি আর সামি আমরা এক আত্মার মানুষ। তুমি আমার মা। তখন আমার মা আমার দাদি কে বলে, আম্মা আপনি ইচ্ছে করলে ও আমাদের সাথে থাকতে পারেন।

দাদি মার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো, না লিলি আমি এখানে থাকলে কিছু জটিলতার সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে, এক এক মানুষ এক এক রকম কথা বলবে, আর তারিফ আমার ছেলে সেও আমার সাথে যোগা যোগ করবে, আর আমার মাধ্যমে সামির সাথে ও যোগাযোগ করবে, এগুলো তোমার চোখের সামনে হবে ।

হয়তো তখন তোমার ভাললাগবে না। আর আমার ছেলের অন্যয়ের জন্য এই সাজাটা আমার ভোগ করতে হবে। আমি এখানে থাকলে তারিফ নিজে তার নতুন সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, সেই সাথে মা আর মেয়ের দায়িত্ব তোমার কাঁধে দিয়ে সে নিশ্চিন্তে থাকবে।আমি যদি তোমার জায়গায় থাকতাম তাহলে, তারিফকে বলতাম, সে যেন তার মেয়ে, সে তার কাছে নিয়ে যায়। তার পর আনন্দে কাটুক জীবন। তার বাচ্চা’র দায়িত্ব বাবা – মা দু’জনের।

আমার আব্বা -মার ডিভোর্স হয়ে গেচে। আমি মার সাথে ঢাকায় থাকি , আর আমার আব্বা থাকে ইতালি । আমার আব্বা থাকে ইতালি যাওয়ার পরে অন্য একজন মেয়ে কে বিয়ে করে । বিয়ে করার কারণ হিসেবে দেখাইছে তার একাকিত্ব কে। আব্বা ইতালি যাওয়ার আগে মা কে বলে যায়,

যত দ্রুত সম্ভব কাগজ পত্র ঠিক করে আমাদেরকে ইতালি নিয়ে যাবেন। আব্বা দেশে আসে কিন্তু আমাদেরকে নিতে আসি নাই, আব্বা
এসেছিলো মা কে ডিভোর্স দিতে। আব্বা একটা কম্পানিতে তে চাকুরী করতেন এবং মুটামুটি বেতনে ও পেতো । আব্বা খুবই আত্ম-সন্মান বোধের এক জন মানুষ ছিলেন ।

মা – আব্বা ডিভোর্সের বিষয় টা বেশির ভাগ মানুেষ জানতে পেরেগেছিলো আমার নানি বাড়ির মানুষদের কাছ থেকে। মা এই বিষয় টা নিয়ে কারো সাথে কথা বলে চায় না । নানি আর মামা খুবই রাগারাগি করেছিলো আমাদের বাসায় এসে, আর মা কে বলছিলো তারিফের এই সিদ্ধান্ত আমাদের কেন জানাস নি ?

আমাদের জানালে তারিফ কোন ভাবেয় পার তো না আাপু কে ডিভোর্স দিতে। কত বড় সাহস ! মেয়ে আছে সংসার আছে, আর সে কিনা কোন এক খারাপ মেয়ের ফাঁদে পড়ে, তোকে ছেড়ে দিবে ! ওকে বুঝাতে হতো, আর যদি ভালো কথায় না বুঝে, এমন ব্যবস্থা করতাম দেশ থেকে বের হতে পারবে না। আর তোর শাশুড়ী কি বলে,তার এই গুণের ছেলের বিষয়ে ?

এই সব কথার মাঝ খানে মা মামাকে থামিয়ে দিলো, নানি কে এক কথায় বলে দেয়, মা তোদেরকে তারিফের কথা বলে কোন লাভ হয়তো না, তোমরা কেউ কিছু করতে পারতে না, কারন তারিফ অন্য একজন মেয়ের সাথে, ওকে জড়িয়ে নিয়েছে । আর সেখানে আমি কেন তার সাথে জোর করে থাকবো ?আমি কি তার করুনার পাত্র হয়ে, তার সাথে থাকবো ?

আর একটা সে মানুষ টা আমার সাথে থাকতে চায় না, তখন আমি তার সাথে থাকতে চাওয়ার মতো অপমান লজ্জার আর কি হতে পারে ? আর আমি অপদার্থ,কেউ না, আমি আমার জীবন একা চালাইতে পারবো ইনশাল্লাহ । তখন নানি মা কে আরো বেশি করে বকাঝকা দিয়ে চলে যায়। আর যাওয়ার সময় বলে যায়,

তুমি এত বেশি বুঝো বলে তোমার জীবননে এমন কিছু হলো,কারো কথার কোন মূল্য নাই তুমার কাছে। আমার নানির বসায় সবাই মা কে একটু সচেতন ও বুঝিয়ে চলে যায় ।কারণ মা খুবই রাগি আর সে তার নিজের মতো করে চলে।

আর আমার দাদি খুবই দুঃখ পায়েছে আব্বু’র এই ধরনের আচরণে। দাদি আমাদের সাথে থাক তো। মা – আব্বা ডিভোর্সের হওয়র পর দাদি মাদের গ্রামের বাড়িতে চলে যায়।গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আগে আমার মা কে কিছু কথা বলে যায়, কথা গুলো হচ্ছে, মা লিলি,মানুষে এর সাথে মানুষে এর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বা হয়।

আমরা আমাদের পাশের বাসার মানুষ কে খালা বলি, মামা বলি কেন ? কারণ আমরা তাদের সাথে একটা সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করি, সবাই রক্তে এর সম্পর্কের অত্নীয় হয় না। আমরা তার পরেও তাদের জন্য মায়া অনুভব করি।আমরা তাদের ভালো মন্দে হলে কষ্ট পাই।

জীবনের প্রথম অসমাপ্ত ভালবাসার সত্য গল্প- Sad Love story

দাদি আমার মা কে বলেছে তোমার সাথে আমার ছেলে তোমার যে অন্যায় করেছে তার কোন প্রতিকার আমার হাতে ও নাই। ছেলে মেয়ে বড় হলে তাদের নিজের একটি নতুন জগৎ হয় । তখন তারা তাদের মতো করে চলে সেখানে মা – বাবার কিছু করার থাকে না।

শোন সোনা মা, তারিফের বৌ হিসাবে আমি তোমার মা হয়ে ছিলাম। আজ যদি তারিফ আর তোমার মধ্যে ডিভোর্স না হয়ে তারিফ মরে যেতো,তবে কি হতো? আমি তো তোমার শাশুড়ী মা’য় থাকতাম তাই তো। আর আজ তারিফ বেঁচে থাকার পরেও আমি তোমার কেউ না। শোন মা কোন সম্পর্ক শুধু খাতা কলম দিয়ে হয় না।

হয় পবিত্র মন দিয়ে। তোমার আর আমার সম্পর্ক হলো মা আর মেয়ের। তুমি যদি চাও আমাদের সম্পর্ক সারাজীবন ধরে থাকবে। তুমি, আমি আর সামি আমরা এক আত্মার মানুষ। তুমি আমার মা। তখন আমার মা আমার দাদি কে বলে, আম্মা আপনি ইচ্ছে করলে ও আমাদের সাথে থাকতে পারেন।

দাদি মার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললো, না লিলি আমি এখানে থাকলে কিছু জটিলতার সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে, এক এক মানুষ এক এক রকম কথা বলবে, আর তারিফ আমার ছেলে সেও আমার সাথে যোগা যোগ করবে, আর আমার মাধ্যমে সামির সাথে ও যোগাযোগ করবে, এগুলো তোমার চোখের সামনে হবে ।

হয়তো তখন তোমার ভাললাগবে না। আর আমার ছেলের অন্যয়ের জন্য এই সাজাটা আমার ভোগ করতে হবে। আমি এখানে থাকলে তারিফ নিজে তার নতুন সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, সেই সাথে মা আর মেয়ের দায়িত্ব তোমার কাঁধে দিয়ে সে নিশ্চিন্তে থাকবে।

আমি যদি তোমার জায়গায় থাকতাম তাহলে, তারিফকে বলতাম, সে যেন তার মেয়ে, সে তার কাছে নিয়ে যায়। তার পর আনন্দে কাটুক জীবন। তার বাচ্চা’র দায়িত্ব বাবা – মা দু’জনের।

পরের দিন দাদি গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। দাদি’কে আমি আর মা ট্রেনে তুলে দিতে যাই। আমার দাদিও মার ‘ র মতো শক্ত মনের মানুষ। দাদি গ্রামের বাড়ি চলে যাওয়ার প্রায় একমাস পরে কথা,এক দিন রাতে আব্বা মাকে ফন কল দেয়, আমার সাথে কথা বলার জন্য ফন দেয় না,

আমার সাথে প্রতি সপ্তাহে দু’- তিন দিন কথা হয়। আব্বার ফন কল আসলেয় আমাকে মোবাইল দিয়ে দূরে সরি দিয়ে যায়, আর আমার মা কখনো জানতে চায় না আব্বার সাথে আমার কি কথা হয়েছে তা নিয়ে। আব্বা সব সময়ই কথার একটা পর্যায় এসে জানতে চায় সামি তোমার মা কেমন আছে? ঠিক তখনই আমার খুব রাগ হয়, আমি বলি ভালো, আর রাখি বলে ফন কল কেটে দেই।

পরের দিন দাদি গ্রামের বাড়িতে চলে যায়। দাদি’কে আমি আর মা ট্রেনে তুলে দিতে যাই। আমার দাদিও মার ‘ র মতো শক্ত মনের মানুষ। দাদি গ্রামের বাড়ি চলে যাওয়ার প্রায় একমাস পরে কথা,এক দিন রাতে আব্বা মাকে ফন কল দেয়, আমার সাথে কথা বলার জন্য ফন দেয় না, আমার সাথে প্রতি সপ্তাহে দু’- তিন দিন কথা হয়।

আব্বার ফন কল আসলেয় আমাকে মোবাইল দিয়ে দূরে সরি দিয়ে যায়, আর আমার মা কখনো জানতে চায় না আব্বার সাথে আমার কি কথা হয়েছে তা নিয়ে। আব্বা সব সময়ই কথার একটা পর্যায় এসে জানতে চায় সামি তোমার মা কেমন আছে? ঠিক তখনই আমার খুব রাগ হয়, আমি বলি ভালো, আর রাখি বলে ফন কল কেটে দেই।

অসমাপ্ত ভালোবাসার সম্পর্ক-মা বাবার ডিভোর্স পার্ট -২

বনধরা গল্পটা কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবেন না । যদি গল্পটা ভাল লাগে তাহলে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে পড়ার সুযোগ করে দিন ।

ঝর পাতা ভালবাসার গল্প

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *